Translate

Thursday, January 30, 2020

নির্ভয়া এক যন্ত্রণার প্রতীক - এবার দরকার নির্ভীক চেতনা ।শাস্তিতে হোক শুদ্ধতার শুরু


Image credit Google

সব মনীষী ডাহা ফেল ?

আচ্ছা বিদ্যাসাগর -রামমোহন তো পুরুষ ই ছিলেন। নরেন্দ্র নাথ দত্ত ( স্বামী বিবেকানন্দ ) ? হালের এপিজে আব্দুল কালাম ? পুরুষ ছিলেন তো ? তাঁরা এই ভারতের ই মানুষ তো ?
রামমোহন - সতীদাহ রোধ করলেন
বিদ্যাসাগর - বিধবা বিবাহ প্রবর্তণ করলেন। শুরু করলেন নারী শিক্ষা
স্বামী বিবেকানন্দ দিলেন যোগ্য শিষ্যা - সিস্টার নিবেদিতাকে - সেটাও নারী মুক্তির এক চিরস্মরণীয় উদ্যোগ।

Image credit Google
আর রবীন্দ্রনাথ ? তিনিতো সবই বলে গিয়েছেন। কিন্তু কি দুর্ভাগ্য , ২৫ সে বৈশাখ , রক্তদান শিবির , বিয়ে বা জন্মদিনে তার রিমিক্স গানে প্রথামাফিক বেজে ওঠেন। কজন পাতা উল্টে তাকে পড়েন বা ভাবেন ?
এপিজে আব্দুল কালাম তার সারা জীবন দর্শন দিয়ে শিশুঅধিকার আর নারী সুরক্ষা নিয়ে বলে গিয়েছেন। তার লেখা একটু পরে দেখুন। আরও বহু বহু মনীষী আছেন , লিখে শেষ করা যাবে না।ইতিহাস তার সাক্ষী
মাত্র একশ বছরের মধ্যে এনারা সবাই ডাহা ফেল ? !
কেন নয় ?
ঘরে ঘরে এখনও কেন এত নারী গায়ে আগুন দিয়ে ( বা লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে ) সতীদাহের অনুরূপ ঘটনার প্রতিস্থাপনে (ব্যতিক্রম - এক্ষেত্রে স্বামীর চিতায় নয় , স্বামী দিব্যি জ্যান্ত )বাধ্য হচ্ছে ?
  • কটা পুরুষ বিধবা নারীকে যেচে বিয়ে করে ? রেশিও টা কত ?
  • কটা গরিব ঘরের মেয়ে এতো করেও বাড়ির ছেলেটার থেকে তার পরিবারে পড়াশুনায় বেশি গুরুত্ত্ব পায় ?
  • এমনকি কজন সিস্টার নিবেদিতা ( এখানে ভাবুন আধুনিক শিক্ষিকা ) অনুসন্ধান করেন কোন বাচ্চা মেয়েটার পড়াশুনা হলো না ?
  • কজন মহিলা সংসার , স্বামী , সন্তান এর মতো একই সাথে তার পাশের অত্যাচারিতা মেয়েটার কথা সমান গুরুত্ব দিয়ে ভাবে ?
  • কজন অত্যাচারিতা পাশের সেই মহিলাকে তার জন্য ভাবার পরিসর বা অধিকার দেয় ?

আসলে আমরা এগোলাম না। আধুনিক-আধুনিকা হলাম। এগোলাম না। ভোগ্য ও ভোক্তাই শেষকথা ।

তাই তো কেউ নারীকে পণ্য করে বিপুল হরে ছড়িয়ে পরা বিজ্ঞাপনের কোনো প্রতিবাদ করেন না।
তাইতো আজও এক নারীর লাঞ্ছনায় অনেক প্রগতিশীলও ঘরে গিয়ে মজা পায়। সেই মজা শেয়ার করে তার প্রভু স্বামী নামক পুরুষটির সাথে।ভোগ্য হতে হতে।

সম্পর্ক কি আজ হারিয়ে গিয়েছে ?

আদি থেকে আজ নারীর ইতিহাস একই থেকে গিয়েছে আচ্ছা বলুন তো কবে থেকে ভাই -বোন-দাদা-দিদি বা কাকু -মামা-মামী ইত্যদি ইত্যাদি সম্পর্ক গুলো আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিজের বুকে হাত দিয়ে বলুন যাচ্ছে কি ? কবে থেকে ব্যাড টাচ , গুড টাচ এগুলোর সৃষ্টি ? আসলে এগুলো অতীতেও ছিল। নারীরা বাইরের সমাজে বাদ দিন নিজের পরিবারে , শৈশব হতে বিকৃত যৌনতার শিকার , বহু পুরানো ইতিহাস তার সাক্ষী । লজ্জা , ভীতি , সামাজিকতা - সর্বোপরী বিয়ে - এসব জানলে বিয়ে হবে না - মানে আর একজনের পার্মানেন্ট ভোগ্য হয় যাবে না -এগুলোর জন্য অতীত থেকে বর্তমান ২০২০-র নারী - প্রায় সবটাই চেপে যায়। ঘরে ঘরে মিনিটে মিনিটে , সেকেন্ডে সেকেন্ডে নারী নির্যাতন প্রকাশ পায়নি , আজও পায় না।যে নারী নিজের ঘরেই , নিজের পরিবারেই , নিরাপদ নয় জন্ম থেকে , যার জন্মটাই যেন আলুরচপ , বিরিয়ানি বা রসগোল্লার মতন , তার বসে , ট্রেনে , অফিসে রাস্তায় নিরাপত্তা - সোনার পাথরবাটি , বা কাঁঠালের আমসত্ত্ব।

কেন ? একটু ভাবুন- নিরাপত্তা মনে , ভাবনাটা পাল্টান দরকার।

রামমোহন- বিদ্যাসাগর একটা লেভেল পর্যন্ত চেষ্টা করেছিলেন। পরবর্তী প্রজম্ম অবশ্যই তাকে বহন করে নিয়ে এসেছে। সবটা অবশ্যই শেষ হয়ে যায় নি। কিন্তু আবার একটু উল্টে পাল্টে দেখা দরকার। ভাবা দরকার -
  • কেন একজন নারী সহজেই নিজেকে বিকিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথ বেছে নিচ্ছে ?
  • কেন একজন পুরুষের চোখ সামনের মহিলার আঁচলের বা ওড়নার স্খলন বা ক্লিভেজের অনুসন্ধান করে ?
  • কেন বাড়ীর দাদা , কাকু ,মামা ইত্যাদি বা স্কুল-কলেজের-কোচিংয়ের মাস্টারমশাই নামক পুরুষ সর্বনাম গুলো একটি কন্যা শিশু বা তার মায়ের কাছে ( বাবাকেও বিশ্বাস করতে পারলাম না। দুঃখিত ) আজ আর নিরাপদ নয় ? এতো আতঙ্কের ?
Image credit Google
  • কারণ ইতিহাস। কারণ গতকাল। আজ। সমানে বিকৃত বা ভালো বললে সুলভ যৌনতা চলছে চলবে।

এবার আর না-

এবার না বলুন - না বলুন ! একবার না বলুন। নির্ভয়া গণধর্ষণ কাণ্ডের ফাঁসির সাজা যেদিন কার্যকর হবে সেদিন সব নারী এবং নিজেকে পুরুষ ভাবতে লজ্জা করছে এমন পুরুষ রা চলুন প্রতিজ্ঞা করি - ঘর থেকে রাস্তা নারী পুরুষের পরিপূরক হব। খাদ্য -খাদক নয়. নৃশংস খাদক কে সেই মুহূর্তে উন্মুক্ত করে দেব সমাজের সামনে। তুলে দেব আইনের হাতে। আর আইনকে এবার বদলাতেই হবে। বিলম্বিত বিচার বিচারহীনতার সমান। আইনকে জানাতে হবে সমাজের কোনায় কোনায়। বাধ্যতামূলক করতে হবে নারী নিরাপত্তা ভোটে প্রার্থী হওয়া , সরকারি / বেসরকারি চাকরি পাওয়ার বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্রের যোগ্যতা পাওয়ার প্রাথমিক শর্ত। সেদিন থেকেই ভাবতে হবে, যে প্রযুক্তি অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখাচ্ছে। চাঁদে -মঙ্গলে মানুষ-বোবটেরা যাচ্ছে। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে আজ কি না হচ্ছে ! কিন্তু হায় ! লজ্জা ! ইংরেজিতে শেম ! সামান্য নারী নিরাপত্তার নির্ভরযোগ্য কোনো আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এখনো তৈরী হলো না ! যাতে কোনো পুরুষ কোনো নারীর দিকে ব্যাড টাচ তো দূরের কথা ব্যাড লুক ও না দিতে পারে ?
share it to grow a movement / consciousness for the shake of women protection and anti rape .

No comments:

Post a Comment

Thank You .Please do not enter any spam link in the comment box.

Don't Miss It !

CHILD CARE || MEMORY TIPS - How to use a trip to the playground to help your children strengthen their memory

How to use a trip to the playground to help your children strengthen their memory To remember things, you need to give them your full attent...