Hot Posts

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Recent in Home

ধারা ৩২৪ : রাষ্ট্রপতি শাসন লাগবে না !! যদি ভোটে নির্বাচন কমিশন তার ক্ষমতার পূর্ণ প্রয়োগ করে | WB Assembly Election 2026

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে ভারতের নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা: একটি বিশ্লেষণ



প্রবীর রায়চৌধুরী, মানুষের ভাষা : 

পশ্চিমবঙ্গে এবং দেশের অন্যান্য কিছু প্রান্তে দীর্ঘদিন ধরে অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং হিংসামুক্ত নির্বাচন না হওয়ার অভিযোগ একটি নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মানুষ, সচেতন নাগরিক এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে প্রায়শই অভিযোগ ওঠে যে, শাসক দল স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনের একাংশের মদতে বুথ দখল, ভোটারদের ভয় দেখানো, এবং ভোট গণনায় কারচুপি করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করছে। এই প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের মনে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন জাগে: এই ধরনের অরাজকতা রুখতে ভারতের নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India - ECI) কি সত্যিই কোনো ক্ষমতা আছে? আমরা অনেক ক্ষেত্রেই নির্বাচন কমিশনকে নীরব দর্শকের ভূমিকায় দেখতে অভ্যস্ত হলেও, আইনি ও সাংবিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে দেখা যাবে—নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা অপরিসীম এবং অভাবনীয়।

আদর্শ আচরণবিধি (Model Code of Conduct - MCC) লাগু হওয়ার পর কমিশন যদি তার সাংবিধানিক ও আইনি ক্ষমতার পূর্ণাঙ্গ প্রয়োগ করে, তবে শাসক দল পরিচালিত দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসন, পক্ষপাতদুষ্ট পুলিশ এবং সমাজবিরোধীদের অশুভ আঁতাতকে সম্পূর্ণভাবে ধূলিসাৎ বা 'ম্যাসাকার' করে দেওয়া সম্ভব। এই প্রতিবেদনে আমরা ভারতের সংবিধান, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1951) এবং সুপ্রিম কোর্টের যুগান্তকারী রায়গুলির ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতার একটি বিস্তারিত ও তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ করব।


১. সংবিধানের ৩২৪ নম্বর ধারা (Article 324): অসীম ক্ষমতার মূল উৎস




ভারতের সংবিধান প্রণেতারা নির্বাচন কমিশনকে একটি স্বাধীন এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ সংস্থা হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। সংবিধানের ৩২৪(১) নম্বর ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, নির্বাচনের "তত্ত্বাবধান, নির্দেশনা এবং নিয়ন্ত্রণ" (Superintendence, direction and control)-এর সম্পূর্ণ দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হাতে ন্যস্ত থাকবে।

প্রথমদিকে এই ধারার আসল শক্তি লোকচক্ষুর আড়ালেই ছিল। কিন্তু নব্বইয়ের দশকে প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টি. এন. সেশন প্রমাণ করে দেন যে, ৩২৪ নম্বর ধারা নিছক কোনো কথার কথা নয়, এটি একটি ব্রহ্মাস্ত্র। সুপ্রিম কোর্ট একাধিক রায়ে স্পষ্ট করেছে যে, ৩২৪ নম্বর ধারাটি নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি 'অফুরন্ত ক্ষমতার ভাণ্ডার' (Reservoir of Power)। যেখানে সংসদীয় আইনে কোনো ফাঁক থাকে বা কোনো অভাবনীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় (যেমন অভিনব কায়দায় রিগিং বা সন্ত্রাস), সেখানে সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর স্বার্থে কমিশন ৩২৪ নম্বর ধারা প্রয়োগ করে যে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে।

২. আদর্শ আচরণবিধি (MCC) এবং প্রশাসন ও পুলিশের উপর নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ




ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার মুহূর্ত থেকেই দেশ বা রাজ্যে 'মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট' (MCC) বা আদর্শ আচরণবিধি বলবৎ হয়ে যায়। শাসক দল যাতে পুলিশ ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে নির্বাচনে বাড়তি সুবিধা (Level playing field নষ্ট করা) না পায়, তা নিশ্চিত করাই এর প্রধান লক্ষ্য।

জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২৮এ (Section 28A) ধারা:




এই ধারাটি নির্বাচন কমিশনকে প্রশাসনের উপর নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রদান করে। এই আইন অনুযায়ী, নির্বাচনের কাজে নিযুক্ত রিটার্নিং অফিসার (RO), প্রিসাইডিং অফিসার এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিপি (DGP) থেকে শুরু করে কনস্টেবল পর্যন্ত সমস্ত পুলিশ আধিকারিক নির্বাচনের সময়টুকু নির্বাচন কমিশনের "ডেপুটেশনে" (Deemed Deputation) আছেন বলে গণ্য হবেন।

এর বাস্তব অর্থ ও প্রভাব (শাসক দলের উপর 'বজ্রাঘাত'):

  • বদলি ও সাসপেনশন: এই সময় রাজ্য সরকার কোনো অফিসারকে বদলি করতে পারে না। বরং, নির্বাচন কমিশন যদি দেখে যে কোনো জেলাশাসক (DM), পুলিশ সুপার (SP) বা থানার আইসি (IC) শাসক দলের হয়ে কাজ করছেন বা দুষ্কৃতীদের ছাড় দিচ্ছেন, তবে কমিশন তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে। শুধু তাই নয়, কমিশন তাঁদের সাসপেন্ড করার এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশও দিতে পারে।

  • শৃঙ্খলারক্ষা: শাসক দল যদি ভাবে যে তাদের নিজস্ব পুলিশ অফিসারদের দিয়ে বুথ রিগিং করানো হবে, তবে নির্বাচন কমিশন কড়া হাতে সেই অফিসারদের নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ বের করে দিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) মোতায়েন করে পুরো নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নিতে পারে।

৩. বুথ দখল ও রিগিং রুখতে আইনি ক্ষমতা (Representation of the People Act, 1951)



শাসক দল যদি পেশিশক্তি ব্যবহার করে বুথ দখল করে, ভোটারদের ভয় দেখায় বা ইভিএম (EVM) ভেঙে দেয়, তবে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের মাধ্যমে।

  • ধারা ৫৮ (Section 58) - পুনর্নির্বাচন (Fresh Poll): যদি কোনো বুথে ব্যালট বাক্স বা ইভিএম জোরপূর্বক ছিনতাই হয়, ভেঙে ফেলা হয় বা এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে ভোটের ফলাফল নির্ণয় করা সম্ভব নয়, তবে কমিশন সেই বুথের ভোট বাতিল করে পুনরায় ভোটের নির্দেশ দিতে পারে।

  • ধারা ৫৮এ (Section 58A) - নির্বাচন বাতিল করা (Countermanding of Election): এটি নির্বাচন কমিশনের অন্যতম ভয়ঙ্কর ক্ষমতা। কোনো কেন্দ্রে যদি শাসক দল বা দুষ্কৃতীরা ব্যাপক হারে "বুথ দখল" (Booth Capturing) করে, তবে কমিশন শুধুমাত্র কয়েকটি বুথ নয়, সমগ্র বিধানসভা বা লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচনটিই বাতিল (Countermand) করে দিতে পারে।

    • ধারা ১৩৫এ (Section 135A) অনুযায়ী বুথ দখলের সংজ্ঞা: পোলিং স্টেশন দখল করা, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া, ভয় দেখানো, এবং ভোট গণনাকেন্দ্র দখল করা—এই সবকিছুই আইনি ভাষায় 'বুথ দখল'।

    • বাস্তব প্রভাব: শাসক দল যদি কোটি কোটি টাকা খরচ করে এবং দুষ্কৃতী লেলিয়ে দিয়ে পুলিশকে নিষ্ক্রিয় করে কোনো নির্বাচন জেতার চেষ্টা করে, তবে কমিশন ৫৮এ ধারা প্রয়োগ করে পুরো নির্বাচনটিই বাতিল করে দিতে পারে। এর ফলে শাসক দলের সমস্ত অবৈধ শ্রম, অর্থ এবং পেশিশক্তির আস্ফালন এক লহমায় অর্থহীন হয়ে যায়। এটি দুর্নীতিগ্রস্তদের জন্য চরম আইনি 'ম্যাসাকার'।

৪. সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে আগাম পদক্ষেপ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার




নির্বাচন অবাধ করতে কমিশনের হাতে রয়েছে 'Vulnerability Mapping' বা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণের হাতিয়ার।

  • প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা (Preventive Action): নির্বাচনের আগে কমিশন পুলিশকে নির্দেশ দেয় সমস্ত ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল এবং সমাজবিরোধীদের গ্রেফতার করার (CrPC-এর বিভিন্ন ধারায়)। বেআইনি অস্ত্র, বোমা এবং কালো টাকা উদ্ধারের জন্য নাকা চেকিং চালানো হয়। যদি স্থানীয় পুলিশ এই কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করে, তবে কমিশন সেই দায়িত্ব কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে তুলে দিতে পারে এবং নিষ্ক্রিয় পুলিশ কর্তাদের সাসপেন্ড করতে পারে।

  • কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) মোতায়েন: সাধারণত বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে এবং বুথের ভেতরে পাহারার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে ন্যস্ত থাকে। রাজ্য পুলিশকে বুথের বাইরে ভিড় নিয়ন্ত্রণের কাজে রাখা হয়, যাতে স্থানীয় পুলিশ ভোটারদের প্রভাবিত করতে না পারে।

৫. সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়

নির্বাচন কমিশনের এই ক্ষমতাগুলি কেবল কেতাবি নয়, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বারবার এর আইনি বৈধতা নিশ্চিত করেছে।

মহিন্দর সিং গিল বনাম মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Mohinder Singh Gill vs Chief Election Commissioner, 1978):

এই ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানায় যে, নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে যদি নির্দিষ্ট কোনো আইন না থাকে, তবে সংবিধানের ৩২৪ নম্বর ধারা নির্বাচন কমিশনকে সেই শূন্যস্থান পূরণের জন্য যে কোনো প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা দেয়। আদালত বলে, "Superintendence, direction and control" শব্দগুলি অত্যন্ত ব্যাপক। অর্থাৎ, অবাধ নির্বাচন করানোর জন্য কমিশনকে কারও মুখাপেক্ষী হতে হবে না, তারা স্বাধীনভাবে নির্দেশিকা জারি করতে পারে।

ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া বনাম অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (২০০২):

এই রায়ে প্রতিষ্ঠিত হয় যে ভোটারদের তথ্য জানার অধিকার রয়েছে এবং প্রার্থীদের অপরাধমূলক রেকর্ড, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সম্পত্তির হিসেব নেওয়া কমিশনের সাংবিধানিক কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।

৬. ভোট গণনায় কারচুপি রুখতে ক্ষমতা

গণনাকেন্দ্রে কারচুপি করা বা গণনাকেন্দ্র দখল করা জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১৩৫এ ধারা অনুযায়ী একটি গুরুতর অপরাধ।

  • গণনাকেন্দ্রে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় (Three-tier security) থাকে, যার ভিতরের বলয়টি সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকে।

  • রিটার্নিং অফিসার বা স্থানীয় প্রশাসন যদি শাসক দলের চাপে ফলাফল ঘোষণায় কারচুপি করার চেষ্টা করে, তবে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব পর্যবেক্ষক (Observer) তা তৎক্ষণাৎ রুখে দিতে পারেন। পর্যবেক্ষকের রিপোর্ট ছাড়া রিটার্নিং অফিসার বিজয়ীর শংসাপত্র (Certificate of Election) প্রদান করতে পারেন না।

  • প্রয়োজনে কমিশন সম্পূর্ণ গণনা প্রক্রিয়া স্থগিত করতে বা পুনরায় গণনার নির্দেশ দিতে পারে।


এক নজরে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও আইনি ধারা (Table)

অরাজকতা বা বেআইনি কার্যকলাপনির্বাচন কমিশনের আইনি ক্ষমতা ও পদক্ষেপআইনি/সাংবিধানিক ধারা
১. পক্ষপাতদুষ্ট পুলিশ ও প্রশাসনডিএম, এসপি, ডিজিপি সহ যেকোনো আধিকারিককে অপসারণ, সাসপেন্ড ও বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ।RP Act 1951, Section 28A
২. বুথ দখল ও ইভিএম ভাঙচুরউক্ত বুথের ভোট বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন (Fresh Poll) করানো।RP Act 1951, Section 58
৩. ব্যাপক রিগিং ও সন্ত্রাসসমগ্র বিধানসভা বা লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচনটিই বাতিল (Countermand) করে দেওয়া।RP Act 1951, Section 58A
৪. ভোটারদের বাধা ও ভয় প্রদর্শনএকে 'বুথ দখল' সমতুল্য অপরাধ গণ্য করে নির্বাচন বাতিল করা এবং অপরাধীদের কারাদণ্ড।RP Act 1951, Section 135A
৫. সমাজবিরোধীদের দৌরাত্ম্যVulnerability mapping-এর মাধ্যমে আগাম গ্রেফতার এবং বুথের নিরাপত্তায় ১০০% কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন।সংবিধানের ৩২৪ ধারা ও কমিশনের নির্দেশিকা
৬. নির্বাচনী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়াকোনো ব্যক্তি বা প্রার্থী নির্বাচনী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁকে ৬ বছরের জন্য নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা।RP Act 1951, Section 8, 8A
৭. আইনে উল্লেখ নেই এমন অভিনব সন্ত্রাসঅবাধ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে যে কোনো কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার অসীম ক্ষমতা।সংবিধানের ৩২৪ নম্বর ধারা (সুপ্রিম কোর্টের রায়)


ওপরের বিশ্লেষণ থেকে এটি জলের মতো পরিষ্কার যে, ভারতের নির্বাচন কমিশন কোনো দন্তহীন ব্যাঘ্র নয়। সংবিধানে এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে কমিশনকে এমন কিছু ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যা বিশ্বের খুব কম গণতান্ত্রিক দেশের নির্বাচন কমিশনের হাতে রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বা অন্য কোনো রাজ্যে শাসক দল যদি পেশিশক্তি, পুলিশ প্রশাসন এবং সমাজবিরোধীদের ব্যবহার করে ভোট লুট করার চেষ্টা করে, তবে নির্বাচন কমিশন শুধুমাত্র ৩২৪ নম্বর ধারা এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের কঠোর প্রয়োগ করেই সেই গোটা বেআইনি চক্রটিকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করতে পারে।

কমিশন চাইলে পক্ষপাতদুষ্ট পুলিশ সুপারদের সাসপেন্ড করতে পারে, সমাজবিরোধীদের জেলে পাঠাতে পারে, এবং কোটি কোটি টাকা খরচ করে রিগিং করা নির্বাচন এক লহমায় বাতিল করে দিয়ে শাসক দলকে চরম রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ধাক্কা দিতে পারে। ক্ষমতা বইয়ের পাতায় এবং আইনে স্পষ্টভাবে লেখা আছে। প্রয়োজন শুধু একটি মেরুদণ্ডসম্পন্ন কমিশনের, যারা নির্ভয়ে এবং নিরপেক্ষভাবে এই ক্ষমতাগুলির প্রয়োগ করবে। যেদিন নির্বাচন কমিশন তার এই রূপ ধারণ করবে, সেদিন কোনো রাজনৈতিক দল বা সমাজবিরোধীর সাধ্য হবে না মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার।


Images are collected from own sources and from Google Image Search

Tags- নির্বাচন কমিশন, ভারতের নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা, ৩২৪ ধারা, আদর্শ আচরণবিধি, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন, ভোট কারচুপি, বুথ দখল রুখবে কে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট, সুপ্রিম কোর্টের রায়, মানুষের ভাষা, প্রবীর রায়চৌধুরী, Election Commission of India, ECI Powers, Article 324 of Indian Constitution, Model Code of Conduct, West Bengal Politics, Free and Fair Elections, Booth Capturing India, Representation of the People Act 1951, Supreme Court Judgement on Elections, Election Commission Strict Rules, Election Commission true power, ECI vs Ruling Party, West Bengal Election Violence, Election Commission power exposed, Chief Election Commissioner, Police under Election Commission

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Comments

Ad Code