SRFTI-তে ভারতমাতা ও স্বামীজির চরম অবমাননা: গ্রাহক পঞ্চায়েতের বৈধ সভায় উগ্র বামপন্থীদের তাণ্ডব, উত্তাল ক্যাম্পাস
মানুষের ভাষা (Manusher Bhasha)
সারাংশ:
কলকাতার কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান SRFTI-তে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের নিয়মতান্ত্রিক ও অনুমোদিত সভায় হামলা চালাল বাম মনোভাবাপন্ন পড়ুয়াদের একাংশ। ভারতমাতা ও স্বামী বিবেকানন্দের ছবি পদদলিত করা এবং দেশবিরোধী স্লোগান তোলার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষা প্রাঙ্গণে এই উগ্র ও দেশবিরোধী মানসিকতার বিরুদ্ধে গর্জে উঠে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।
কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে (SRFTI) সামাজিক সচেতনতামূলক এক বৈধ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলা ও হিংসার ঘটনা প্রকাশ্যে এল। জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সংগঠন অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের (ABGP) পক্ষ থেকে যথাযথ সরকারি নিয়ম ও ভাড়া মিটিয়ে ইনস্টিটিউটের মূল প্রেক্ষাগৃহে এক গ্রাহক সচেতনতা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, সেই শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠান চলাকালীন ক্যাম্পাসের তথাকথিত প্রগতিশীল ও উগ্র বামপন্থী পড়ুয়াদের একটি দল জোরপূর্বক অডিটোরিয়ামে ঢুকে চরম তাণ্ডব শুরু করে।
কর্মসূচির আয়োজকদের দাবি, সভায় উপস্থিত প্রবীণ সদস্য ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর চড়াও হওয়ার পাশাপাশি অনুষ্ঠানস্থলের ব্যানার-পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়। সবচেয়ে ন্যক্কারজনক বিষয়, সভাস্থলে সসম্মানে রাখা ভারতমাতা ও স্বামী বিবেকানন্দের ছবিতে পা দিয়ে চরম অবমাননা করা হয় বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান তোলা হয়। জাতীয় প্রতীকের প্রতি এই বর্বরোচিত আচরণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ ও দফায় দফায় হাতাহাতি বেধে যায়।
এই ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রাজ্য বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার সরাসরি এই ধরণের মানসিকতাকে আক্রমণ করে বলেন, বাংলার মাটিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দীর্ঘদিন ধরে দেশবিরোধী ও 'দিমাগী নকশাল' সংস্কৃতির আখড়ায় পরিণত করার চক্রান্ত চলছে। একটি কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়ম মেনে আয়োজিত সভায় ভারতমাতা ও স্বামীজির ছবিকে অবমাননা করা কোনো সুস্থ গণতন্ত্রের লক্ষণ হতে পারে না। জাতীয়তাবাদী নেতৃত্ব স্পষ্ট দাবি তুলেছে যে, বাংলার পবিত্র শিক্ষাঙ্গনে এমন অসভ্যতা ও দেশদ্রোহী মানসিকতা আর কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে পড়ুয়াদের একাংশ মূল ফটক অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পঞ্চসায়র থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। ঘটনায় উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং পুলিশের কাছে পৃথক তিনটি এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে। জাতীয়তাবাদী সচেতন মহলের স্পষ্ট বার্তা—জাতীয় আইকনদের অসম্মানকারী এবং শিক্ষাঙ্গনে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।
#SRFTI #Kolkata #WestBengal #BharatMata #SwamiVivekananda #BJPBengal #Rastravad #StopAntiNational #ManusherBhasha #CampusViolence
0 মন্তব্যসমূহ