Hot Posts

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Recent in Home

হুমায়ুন কবীরকে ইজতেমায় বাধা ! তৃণমূলের ভয়ে কি এখন মুসলিমদের ধর্মপালনেও বাধা? সরব হুমায়ুন কবীর

ইজতেমায় নামাজ পড়তে গিয়ে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! তৃণমূলের ভয়ে কি এখন মুসলিমদের ধর্মপালনেও বাধা? সরব হুমায়ুন কবীর


Image- 
India Hood Bangla

নিজস্ব প্রতিবেদন, ধনিয়াখালি: রাজনীতি কি এবার ধর্মের আঙিনাতেও বিষ ঢালবে? এই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে। ভরতপুরের বিধায়ক তথা সংখ্যালঘু সমাজের অন্যতম পরিচিত মুখ হুমায়ুন কবীরকে ইজতেমায় নামাজ পড়তে গিয়ে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান শুনতে হলো। শুধু তাই নয়, তাঁর গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে পথ আটকানোরও চেষ্টা করা হয়। এই ঘটনায় শাসকদল তৃণমূলের দিকে সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন হুমায়ুন কবীর।

১. ধর্মীয় অনুষ্ঠানে রাজনীতির রং: কেন আটকানো হলো হুমায়ুনকে?

বিশ্ব ইজতেমা কমিটির পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে যে, এটি একটি অরাজনৈতিক ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং এখানে যে কেউ আসতে পারেন। কিন্তু সোমবার যখন মুর্শিদাবাদের এক হেভিওয়েট জনপ্রতিনিধি তথা ধর্মপ্রাণ মুসলিম হিসেবে হুমায়ুন কবীর সেখানে পৌঁছান, তখন পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ, "আমি বাংলার সবথেকে বড় মুসলিম অধ্যুষিত জেলার প্রতিনিধি। আমি একজন মুসলিম হিসেবে নামাজ পড়তে এসেছিলাম। কিন্তু তৃণমূলের মদতে একদল দুষ্কৃতী আমাকে বাধা দিল।"

২. "পুলিশের সামনেই গুন্ডামি, অসীমা পাত্র ভয় পেয়েছেন"

হুমায়ুন কবীরের বড় অভিযোগ প্রশাসনের দিকে। তিনি জানান, পুলিশের চোখের সামনেই তাঁর গাড়ি আটকানো হয় এবং স্লোগান দেওয়া হয়। কিন্তু কয়েক গজ দূরে দাঁড়িয়ে থাকা ৫-৬ জন অফিসার সব দেখেও ছিলেন নির্বিকার। হুমায়ুন কবীরের দাবি, স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক অসীমা পাত্রের নির্দেশেই এই ঘটনা ঘটেছে।

বিধায়কের কথায়— "অসীমা পাত্র বিধানসভায় মমতাজীর হয়ে খুব চিৎকার করেন। তিনি আজ ভয় পেয়েছেন যে আমার উপস্থিতিতে তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে যাবে। সেই কারণেই পুলিশকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে আমাকে আটকানোর চেষ্টা হয়েছে।"

৩. "এটা ইজতেমা কমিটির কাজ নয়, এটা তৃণমূলের ষড়যন্ত্র"

তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব (বাবনান গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান) দাবি করেছেন যে ইজতেমা কমিটি তাঁকে ঢুকতে দেয়নি এবং এর সাথে তৃণমূলের কোনো যোগ নেই। এই সাফাইকে সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছেন হুমায়ুন। তিনি পালটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন— "ইজতেমা কমিটির আয়োজকরা তো গেটে ছিলেন না। যারা ভলান্টিয়ারের জামা পরে গুন্ডামি করছিল, তারা তৃণমূলের ক্যাডার। ক্যামেরা অন ছিল, ভিডিও ফুটেজে সব স্পষ্ট আছে। একজন বিধায়ককে যখন আটকানো হচ্ছে, তখন পুলিশ কেন নিশ্চুপ?"

৪. গণতান্ত্রিকভাবে জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি

হুমায়ুন কবীর স্পষ্ট করেছেন যে, এই অপমানের বদলা তিনি গায়ের জোরে নয়, বরং গণতান্ত্রিকভাবে নেবেন। ২০২৬-এর নির্বাচনে তৃণমূলের এই ‘অগণতান্ত্রিক’ আচরণের জবাব বাংলার মানুষ দেবেন বলে তিনি মনে করেন। তাঁর মতে, শাসকদল আজ এতটাই আতঙ্কিত যে একজন বিধায়ককে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দিতেও ভয় পাচ্ছে।


Tags: হুমায়ুন কবীর ইজতেমা বিতর্ক, ধনিয়াখালি ইজতেমা গো ব্যাক স্লোগান, অসীমা পাত্র বনাম হুমায়ুন কবীর, জনতা উন্নয়ন পার্টি সংবাদ।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Comments

Ad Code